Monday, June 24, 2013

শবে বরাত | সঠিক দৃষ্টিকোণ পর্ব-১

                                                                     بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ
                                     শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।
মুখবন্ধ:
লেখার প্রথমেই বলে রাখি আমি কোন স্কলার নই। একজন একাডেমিক মাত্র। আপনারা যা জানেন তার চেয়ে কিছু বেশি অথবা কম জানি। আশেপাশে যা-ই দেখি তা-ই পড়ে দেখি। শবে বরাত নিয়ে আমার খুব কৌতূহল ছিল। তাই সেটা দমাতে না পেরে এর অথেনটেসিটি নিয়ে একটু নাড়াচাড়া করলাম। বিস্তর লেখাপড়া করার পর একটা বড়সড় ধাক্কা খেলাম। বুঝতে পারলাম আমরা উপমহাদেশীরা কি রকম ভুলের মধ্যে আছি! না জেনে না বুঝে একটা ভুল জিনিস শত শত বছর ধরে পালন করছি!  আমরা উপমহাদেশের মুসলমানগন পনের শাবানের রাতে শবে বরাত নামে যে আচার-আনুষ্ঠান উদযাপন করে থাকি, তা আদৌ শরিয়তসিদ্ধ নয়। আল-কুরআনুল কারীম ও সহীহ হাদীসে এ রাতের বিশেষ কোন আমলের কথা উল্লেখ নেই। সাহাবা ও তাবেয়ীনগণের আমল দ্বারাও এ রাত উদযাপন বিষয়ে কোন কিছু প্রমাণিত হয় নি। তার উপর আমাদের সমাজে শবে বরাত বিষয়ে যে অলীক ধারণাসমূহ শিকড় গেড়ে আছে। এই লেখায় সেইসব বিষয়ের বর্ণনা ও যুক্তি সহকারে রেফারেন্সের সাথে তা মূলোৎপাটন করার চেষ্টায় নিবৃত্ত হয়েছি মাত্র। আল্লাহ্‌ আমাদের সকল ধরনের বিদ’আত থেকে দূরে থাকার তৌফিক দিয়ে দিন। আমিন।
শবে বরাত  |  সঠিক দৃষ্টিকোণ    
শবে বরাত আভিধানিক অর্থ
‘শব’ ফারসি শব্দ। অর্থ রাত বা রজনী। বরাত শব্দটিও মূলে ফারসি। অর্থ ভাগ্য। দু’শব্দের একত্রে অর্থ হবে, ভাগ্য-রজনী। বরাত শব্দটি আরবি ভেবে অনেকেই ভুল করে থাকেন। কারণ ‘বরাত’ বলতে আরবি ভাষায় কোন শব্দ নেই। ‘বারায়াত’কে যদি আরবি শব্দ ধরা হয় তাহলে এর অর্থ হচ্ছে সম্পর্কচ্ছেদ, পরোক্ষ অর্থে মুক্তি। যেমন কুর’আন মাজীদে সূরা বারায়াত রয়েছে যা সূরা তাওবা নামেও পরিচিত। ইরশাদ হয়েছেঃ
بَرَاءَةٌ مِّنَ اللَّهِ وَرَسُولِهِ إِلَى الَّذِينَ عَاهَدتُّم مِّنَ الْمُشْرِكِينَ [٩:١]
সম্পর্কচ্ছেদ করা হল আল্লাহ ও তাঁর রসূলের পক্ষ থেকে সেই মুশরিকদের সাথে, যাদের সাথে তোমরা চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলে। (সূরা তাওবা, ১)
এখানে বারায়াতের অর্থ হল সম্পর্ক ছিন্ন করা। ‘বারায়াত’ মুক্তি অর্থেও আল-কুর’আনে এসেছে যেমনঃ
أَكُفَّارُكُمْ خَيْرٌ مِّنْ أُولَٰئِكُمْ أَمْ لَكُم بَرَاءَةٌ فِي الزُّبُرِ [٥٤:٤٣]
তোমাদের মধ্যকার কাফেররা কি তাদের চাইতে শ্রেষ্ঠ ? না তোমাদের মুক্তির সনদপত্র রয়েছে কিতাবসমূহে? (সূরা কামার, ৪৩)
আর বারায়াত শব্দটি যদি ফার্সি শব্দ ধরা হয় তাহলে উহার অর্থ হবে সৌভাগ্য। অতএব শবে বরাত শব্দটার অর্থ দাঁড়ায় মুক্তির রজনী, সম্পর্ক ছিন্ন করার রজনী। অথবা সৌভাগ্যের রাত, যদি ‘বরাত’ শব্দটিকে ফার্সি শব্দ ধরা হয়। শবে বরাত শব্দটিকে যদি আরবিতে তর্জমা করতে চান তাহলে বলতে হবে ‘লাইলাতুল বারায়াত’।
এখানে বলে রাখা ভালো যে এমন অনেক শব্দ আছে যার রুপ বা উচ্চারন আরবিও ফার্সি ভাষায় একই রকম, কিন্তু অর্থ ভিন্ন। যেমন- ‘গোলাম’ শব্দটি উভয় ভাষায় একই রকম লিখা ও উচ্চারন করা হয়। আরবিতে অর্থ কিশোর আর ফার্সিতে দাস। সার কথা হল ‘বারায়াত’ শব্দটিকে আরবি শব্দ ধরা হলে উহার অর্থ সম্পর্কচ্ছেদ বা মুক্তি। আর ফার্সি শব্দ ধরা হলে উহার অর্থ সৌভাগ্য।
আল-কুর’আনে শবে বরাতের কোন উল্লেখ নেই
শবে বরাত বলুন আর লাইলাতুল বারায়াত বলুন কোন আকৃতিতে শব্দটি কুর’আন মাজিদে খুঁজে পাবেন না। সত্য কথাটাকে খুঁজে পাবেন না, সত্য কথাটাকে সহজভাবে সহজভাবে বলতে গেলে বলা যায় পবিত্র কুর’আন মাজিদে শবে বরাতের কোন আলোচনা নেই। সরাসরি তো দূরের কথা আকার ইংগিতেও নেই।
অনেককে দেখা যায় শবে বরাতের গুরুত্ব আলোচনা করতে যেয়ে সূরা দু’খানের প্রথম চারটি আয়াত পাঠ করেন। আয়াতসমূহ হলঃ
حم [٤٤:١] হা-মীম।
وَالْكِتَابِ الْمُبِينِ [٤٤:٢]  শপথ সুস্পষ্ট কিতাবের।
إِنَّا أَنزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةٍ مُّبَارَكَةٍ ۚ إِنَّا كُنَّا مُنذِرِينَ [٤٤:٣]   আমি একে নাযিল করেছি। এক বরকতময় রাতে, নিশ্চয় আমি সতর্ককারী।
فِيهَا يُفْرَقُ كُلُّ أَمْرٍ حَكِيمٍ [٤٤:٤]  এ রাতে প্রত্যেক প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয় স্থিরীকৃত হয়।
শবে বরাত পন্থী আলেম উলামারা এখানে বরকতময় রাত বলতে ১৫ শাবানের রাতকে বুঝিয়ে থাকেন। আমি এখানে স্পষ্টভাবেই বলব যে, যারা এখানে বরকতময় রাতের অর্থ ১৫ শাবানের রাতকে বুঝিয়ে থাকেন তারা এমন বড় ভুল করেন যা আল্লাহ্‌র কালাম বিকৃত করার মত অপরাধ। কারনঃ
(১) কুর’আন মাজিদের এই আয়াতের তাফসীর বা ব্যাখ্যা সূরা আল-কদর দ্বারা করা হয়। সেই সূরায় আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামীন বলেনঃ
إِنَّا أَنزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ [٩٧:١]   আমি একে নাযিল করেছি লাইলাতুল-কদরে।
وَمَا أَدْرَاكَ مَا لَيْلَةُ الْقَدْرِ [٩٧:٢]   লাইলাতুল-কদর সম্বন্ধে আপনি কি জানেন?
لَيْلَةُ الْقَدْرِ خَيْرٌ مِّنْ أَلْفِ شَهْرٍ [٩٧:٣]   লাইলাতুল-কদর হল এক হাজার মাস অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।
تَنَزَّلُ الْمَلَائِكَةُ وَالرُّوحُ فِيهَا بِإِذْنِ رَبِّهِم مِّن كُلِّ أَمْرٍ [٩٧:٤]  এতে প্রত্যেক কাজের জন্যে ফেরেশতাগণ ও রূহ অবতীর্ণ হয় তাদের পালনকর্তার নির্দেশক্রমে।
سَلَامٌ هِيَ حَتَّىٰ مَطْلَعِ الْفَجْرِ [٩٧:٥]   এটা নিরাপত্তা, যা ফজরের উদয় পর্যন্ত অব্যাহত থাকে।
অতএব, বরকতময় রাত হল লাইলাতুল কদর। লাইলাতুল বারায়াত নয়। সূরা দুখানের প্রথম সাত আয়াতের ব্যাখ্যা হল এই সূরা আল-কদর। আর এ ধরনের ব্যাখ্যা অর্থাৎ আল-কুর’আনের এক আয়াতের ব্যাখ্যা অন্য আয়াত দ্বারা করা হল সর্বোত্তম ব্যাখ্যা।
(২) সূরা দুখানের লাইলাতুল মুবারাকের অর্থ যদি শবে বরাত হয় তাহলে এ আয়াতের অর্থ দাঁড়ায় আল কুর’আন শাবান মাসের শবে বরাতে নাজিল হয়েছে। অথচ আমরা সকলে জানি আল-কুর’আন নাজিল হয়েছে রামাজান মাসের লাইলাতুল কদরে। যেমন সূরা বাকারার ১৮৫ নং আয়াতে আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামিন বলেন
شَهْرُ رَمَضَانَ الَّذِي أُنزِلَ فِيهِ الْقُرْآنُ  রমযান মাসই হল সে মাস, যাতে নাযিল করা হয়েছে কোরআন।
(৩) অধিকাংশ মুফাসসিরে কিরামের মত হল উক্ত আয়াতে বরকতময় রাত বলতে লাইলাতুল কদরকেই বুঝানো হয়েছে। শুধু মাত্র তাবেয়ী ইকরামা (রহ.) এর একটা মত উল্লেখ করে বলা হয় যে, তিনি বলেছেন বরকতময় রাত বলতে শাবান মাসের ১৫ তারিখের রাতকেও বুঝানো যেতে পারে।
তিনি যদি এটা বলে থাকেন তাহলে এটা তার ব্যক্তিগত অভিমত। যা কুর’আন ও হাদিসের বিরোধী হওয়ার কারণে পরিত্যাজ্য। এ বরকতময় রাতের দ্বারা উদ্দেশ্য যদি শবে বরাত হয় তাহলে শবে কদর অর্থ নেওয়া চলবে না।
(৪) উক্ত আয়াতে বরকতময় রাতের ব্যাখ্যা শবে বরাত করা হল তাফসীর বির-রায় (মনগড়া ব্যাখ্যা), আর বরকতময় রাতের ব্যাখ্যা লাইলাতুল কদর দ্বারা করা হল কুর’আন ও হাদিস সম্মত তাফসীর। সকলেই জানেন কুর’আন ও হাদিস সম্মত ব্যাখ্যার উপস্থিতিতে মনগড়া ব্যাখ্যা (তাফসীর বির-রায়) গ্রহণ করার কোন সুযোগ নেই।
(৫) সূরা দুখানের ৪ নং আয়াত ও সূরা কদরের ৪ নং আয়াত মিলিয়ে দেখলে স্পষ্ট হয়ে যায় যে, বরকতময় রাত বলতে লাইলাতুল কদরকেই বুঝানো হয়েছে। সাহাবী ইবনে আব্বাস (রাঃ), ইবনে কাসির, কুরতুবি প্রমুখ মুফাসসিরে কিরাম এ কথাই জোর দিয়ে বলেছেন এবং সূরা দুখানের ‘লাইলাতুম মুবারাকা’র  অর্থ শবে বরাত নেওয়াকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। তাফসীরে মায়ারেফুল কুরআন দ্রষ্টব্য)
ইমাম কুরতুবি (রহঃ) তাঁর তাফসীরে বলেছেনঃ “কোন কোন আলেমের রাতে ‘লাইলাতুম মুবারাকাহ’ দ্বারা উদ্দেশ্য হল মধ্য শাবানের রাত (শবে বরাত)।
কিন্তু এটা একটা বাতিল ধারণা।” অতএব এ আয়াতে ‘লাইলাতুম মুবারাকাহ’ এর অর্থ লাইলাতুল কদর। শাবান মাসের পনের তারিখ রাত নয়।
(৬) ইকরামা (রঃ) বরকতময় রজনীর যে ব্যাখ্যা শাবানের ১৫ তারিখ দ্বারা করেছেন তা ভুল হওয়া সত্ত্বেও প্রচার করতে হবে এমন কোন নিয়ম-কানুন নেই। বরং তা প্রত্যাখ্যান করাই হল হকের দাবী। তিনি যেমন ভুলের উর্ধে নন, তেমনি যারা তাঁর থেকে বর্ণনা করেছেন তারা ভুল শুনে থাকতে পারেন অথবা কোন উদ্দেশ্য নিয়ে বানোয়াট বর্ণনা দেওয়াও অসম্ভব নয়।
(৭) শবে বরাতের গুরুত্ব সূরা দুখানের উক্ত আয়াত উল্লেখ করার মাধ্যমে মানুষের মধ্যে আকিদাহ বদ্ধমূল হয়ে গেছে যে, শবে বরাতে সৃষ্টিকুলের হায়াত-মাউত, রিজিক-দৌলত সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেয়া হয় ও লিপিবদ্ধ করা হয়। আর শবে বরাত উদযাপনকারীদের শতকরা ৯৯ জনের বেশি এ ধারণাই পোষণ করেন। তারা এর উপর ভিত্তি করে লাইলাতুল কদরের চেয়ে ১৫ শাবানের রাতকে বেশি গুরুত্ব দেয়। অথচ কুর’আন ও হাদিসের আলোকে এ বিষয়গুলি লাইলাতুল কদরের সাথে সম্পর্কিত। তাই যারা শবে কদরের গুরুত্ব বুঝাতে উক্ত আয়াত উপস্থাপন করেন তারা মানুষকে সঠিক ইসলামী আকিদাহ থেকে দূরে সরানোর কাজে লিপ্ত, যদিও মনে –প্রাণে তারা তা ইচ্ছা করেন না।
(৮) ইমাম আবু বকর আল জাসসাস তাঁর আল-জামে লি আহকামিল কুর’আন তাফসীর গ্রন্থে লাইলাতুন মুবারাকাহ দ্বারা মধ্য শাবানের রাত উদ্দেশ্য করা ঠিক নয় বলে বিস্তারিত আলোচনা করার পর বলেনঃ
লাইলাতুল কদরের ৪ টি নাম রয়েছে, তা হলঃ লাইলাতুল কদর, লাইলাতুল মুবারাকাহ, লাইলাতুল বারাআত ও লাইলাতুস সিক।
(আল জামে লি আহকামিল কুরআন, সূরা আদ-দুখানের তাফসীর দ্রষ্টব্য)
লাইলাতুল বারাআত হল লাইলাতুল কদরের একটি নাম। শাবান মাসের ১৫ তারিখের রাতের নাম নয়। ইমাম শাওকানি (রহঃ) তাঁর তাফসীর ফতহুল কাদিরে একই কথাই লিখেছেন। (তাফসীর ফাতহুল কাদির: ইমাম শাওকানি দ্রষ্টব্য)
এ সকল বিষয় জেনে বুঝেও যারা ‘লাইলাতুল মুবারাকা’র অর্থ করবেন শবে বরাত, তারা সাধারণ মানুষের গোমরাহ করা এবং আল্লাহ্‌র কালামের অপব্যাখ্যা করার দায়িত্ব এড়াতে পারবেন না।
রিফারেন্স:   Islam House Quraneralo.com
(চলবে)

Saturday, June 1, 2013

জার্নি ফ্রম ফেসবুক টু উম্মাহল্যান্ড | সেলফ কনফেশন




দেখতে দেখতে চারটি বছর কেটে গেছে। মনে আছে প্রথমদিনের কথা। ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১০।
সবাই ফেসবুক নাই দেখে অবাক হইত। 'আরে! কি বলিস দোস্ত তোর ফেসবুক নাই!' কয়েকজন খ্যাঁতও বলেছিল। ক্লাসের এক অফিসার বড় ভাই হঠাৎ একদিন ক্লাসে বললেন- 'আমাদের ব্যাচের গ্রুপ খোলা হয়েছে, এখানেই এখন থেকে লেখাপড়ার সরাঞ্জমাদি দেওয়া হবে।' এ কথা শুনার পর আগ্রহী হলাম ইন্টারনেট সম্পর্কে পুরোই অজ্ঞ এই আমি। বন্ধু Jash কে ধরলাম, 'দোস্ত একটা ফেসবুক বানায় দে।' হায়! ফেসবুক খুলতে মেইল লাগে, সেটাও ছিল না। বন্ধু সব জায়গায় খুলে দিল। প্রথম প্রথম কিছুই বুঝতাম না। বন্ধুতালিকায় ছিল জশ, RosiPias আর Faisal। চ্যাট বলে যে কিছু একটা আছে তা অনেকদিন পরে জেনেছি। ভার্সিটির লাইব্রেরীতে নেট ইউজ করতাম ব্রেক টাইমে। নটরডেমে পড়াকালীন স্বপ্ন দেখতাম একদিন MITতে পড়ব। কাজ না থাকলে সেই ওয়েবসাইটে গিয়ে বসে থাকতাম। এই নিয়ে রসি এখনো আমায় জ্বালায়। কি ছিলাম! আর কি হলাম! এক ওয়েবসাইট ঘেঁটে বেড়ান মানুষ আজ ওয়েবসাইট নিয়ে ছোট্ট একটা চাকুরি করে।

 মেঘে মেঘে বেলা গড়াল। সোশ্যাল নেটওয়ার্কিংএর মাধ্যমে বহুত কিছু জানলাম। সাথে বন্ধুবর নেটওয়ার্কিং গুরু রসিরও অবদান আছে। কত সেমিনার, ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্সে অংশগ্রহন করলাম। অনলাইন লার্নিংএ জড়িয়ে ফেললাম নিজেকে। Google, Stanford, UMich, MITx, edX বলে শেষ করা যাবেনা- কোর্স করা আছে ১০-১৫ টা আর সাথে High Accomplishment সার্টিফিকেট। IOU এখনও চলছে। দুধের স্বাদ ঘোলে মিটাইলাম। ফেসবুক আমাকে অনেক কিছুই দিয়েছে, অনেক পুরনো বন্ধু ফিরে পেয়েছি। অনেক নতুন ভালো বন্ধু হয়েছে। সাথে সাথে কত বন্ধু হারিয়েছি, দূরত্ব বেড়েছে। সময় নষ্ট হয়েছে। ফেসবুকের সাথে পাল্লা দিয়ে হেন কোন জায়গা নাই বাদ দিই নাই। টুইটার, গুগল+, মাইস্পেস, হাইফাইভ, লিঙ্কডইন চলেছে সাথে সাথে। একসময় ভাবতাম বন্ধুতালিকা বাড়াবো। তাই আগের হ্যাক হওয়া আইডিতে ছিল প্রায় ২০০০ দেশবিদেশের মানুষ। বেশিরভাগ নানা কোর্স করতে গিয়ে পরিচয়। নতুন আইডি খুলেছি গত জুলাইয়ে। এখানেও ১০০০+, আসলে একঘেয়েমি ধরে গেছে। এখন আর ফেসবুকের সেই ২০১০-১১ এর সুস্থ পরিবেশ নাই। আছে রাজনীতির কচকচানি, ১৮+ পেইজের আধিক্য, বেড়েছে বাতুলশ্রেণীর অসুস্থ মানুষজন যারা সারাদিন একে অপরকে খোঁচা মেরে বেড়ায়। কিছু পোস্ট, নোট পড়ে আশা ফিরে পাই- নাহ এখনো আশা আছে আমাদের! বলতে গেলে আমার মনমানসিকতার মানুষ পাই না খুঁজে তেমন। হোমপেইজ থেকে ফিড কাটতে কাটতে অস্থির! লিস্ট করলাম সমমনাদের। ওখানেই চষে বেড়াই আজকাল।

নতুন একটা প্লাটফর্ম খুব খুজছিলাম ফেসবুকের ফিতনাহ ফ্যাসাদ থেকে বাঁচতে। আলহামদুলিল্লাহ্‌। পেয়েও গেলাম (http://www.ummaland.com/) খুলে ফেললাম অস্থায়ী আইডি সেখানেও। সেখানে সারাবিশ্বের মুসলিম ভাইবোনদের একজায়গায় পেয়ে খুব ভালো লাগলো। ভাবছি কিছুসময়ের জন্য বিরতি নেওয়া যাক। অনেকেই খুশি হবেন শুনে কারন তারা আমার পোস্ট পড়ে আর নোটিফিকেশনের জ্বালায় অস্থির  যাক আপনাদের বাঁচালাম। তাই এখন থেকে এখানে রেগুলার হব না। স্থায়ী হতে যাচ্ছি উম্মাহতে। কেউ যদি বেশি প্রয়োজন বোধ করেন আমাকে ইমেইল করতে পারেন (adib10mist@gmail.com) এ। সাথে সাথে এই উম্মাহল্যান্ড আমার কাছে খুবই ভালো লাগছে। ফেসবুকের আদলে অপশনগুলো তাই চেনাজানা। এখানে রয়েছে অনলাইন কুরআন, অনলাইন হাদিস। সব নিজের মত করে পাচ্ছি। অবশ্য ফেসবুকের ভাইয়া-আপুদের নোটগুলো খুব মিস করব। একেবারে যেহেতু ছেড়ে যাচ্ছি না তাই সময় পেলে পড়ে নেব। আর আমিও পারলে সময়উপযোগী উপকারী পোস্ট দিব ইনশাআল্লাহ্‌।  

 মেঘে মেঘে বেলা গড়াল। সোশ্যাল নেটওয়ার্কিংএর মাধ্যমে বহুত কিছু জানলাম। সাথে বন্ধুবর নেটওয়ার্কিং গুরু রসিরও অবদান আছে। কত সেমিনার, ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্সে অংশগ্রহন করলাম। অনলাইন লার্নিংএ জড়িয়ে ফেললাম নিজেকে। Google, Stanford, UMich, MITx, edX বলে শেষ করা যাবেনা- কোর্স করা আছে ১০-১৫ টা আর সাথে High Accomplishment সার্টিফিকেট। IOU এখনও চলছে। দুধের স্বাদ ঘোলে মিটাইলাম। ফেসবুক আমাকে অনেক কিছুই দিয়েছে, অনেক পুরনো বন্ধু ফিরে পেয়েছি। অনেক নতুন ভালো বন্ধু হয়েছে। সাথে সাথে কত বন্ধু হারিয়েছি, দূরত্ব বেড়েছে। সময় নষ্ট হয়েছে। ফেসবুকের সাথে পাল্লা দিয়ে হেন কোন জায়গা নাই বাদ দিই নাই। টুইটার, গুগল+, মাইস্পেস, হাইফাইভ, লিঙ্কডইন চলেছে সাথে সাথে। একসময় ভাবতাম বন্ধুতালিকা বাড়াবো। তাই আগের হ্যাক হওয়া আইডিতে ছিল প্রায় ২০০০ দেশবিদেশের মানুষ। বেশিরভাগ নানা কোর্স করতে গিয়ে পরিচয়। নতুন আইডি খুলেছি গত জুলাইয়ে। এখানেও ১০০০+, আসলে একঘেয়েমি ধরে গেছে। এখন আর ফেসবুকের সেই ২০১০-১১ এর সুস্থ পরিবেশ নাই। আছে রাজনীতির কচকচানি, ১৮+ পেইজের আধিক্য, বেড়েছে বাতুলশ্রেণীর অসুস্থ মানুষজন যারা সারাদিন একে অপরকে খোঁচা মেরে বেড়ায়। কিছু পোস্ট, নোট পড়ে আশা ফিরে পাই- নাহ এখনো আশা আছে আমাদের! বলতে গেলে আমার মনমানসিকতার মানুষ পাই না খুঁজে তেমন। হোমপেইজ থেকে ফিড কাটতে কাটতে অস্থির! লিস্ট করলাম সমমনাদের। ওখানেই চষে বেড়াই আজকাল।

নতুন একটা প্লাটফর্ম খুব খুজছিলাম ফেসবুকের ফিতনাহ ফ্যাসাদ থেকে বাঁচতে। আলহামদুলিল্লাহ্‌। পেয়েও গেলাম (http://www.ummaland.com/) খুলে ফেললাম অস্থায়ী আইডি সেখানেও। সেখানে সারাবিশ্বের মুসলিম ভাইবোনদের একজায়গায় পেয়ে খুব ভালো লাগলো। ভাবছি কিছুসময়ের জন্য বিরতি নেওয়া যাক। অনেকেই খুশি হবেন শুনে কারন তারা আমার পোস্ট পড়ে আর নোটিফিকেশনের জ্বালায় অস্থির  যাক আপনাদের বাঁচালাম। তাই এখন থেকে এখানে রেগুলার হব না। স্থায়ী হতে যাচ্ছি উম্মাহতে। কেউ যদি বেশি প্রয়োজন বোধ করেন আমাকে ইমেইল করতে পারেন (adib10mist@gmail.com) এ। সাথে সাথে এই উম্মাহল্যান্ড আমার কাছে খুবই ভালো লাগছে। ফেসবুকের আদলে অপশনগুলো তাই চেনাজানা। এখানে রয়েছে অনলাইন কুরআন, অনলাইন হাদিস। সব নিজের মত করে পাচ্ছি। অবশ্য ফেসবুকের ভাইয়া-আপুদের নোটগুলো খুব মিস করব। একেবারে যেহেতু ছেড়ে যাচ্ছি না তাই সময় পেলে পড়ে নেব। আর আমিও পারলে সময়উপযোগী উপকারী পোস্ট দিব ইনশাআল্লাহ্‌।  



উম্মাহল্যান্ডে মুসলিম ভাইবোনদের স্বাগতম। আমার এজন্য ভালো লেগেছে, গোটা দুনিয়ার অনেক মুসলিমদের পেলাম। আল্লাহ এই উদ্যোগকে কবুল করুন।
সেখানে আমাকে খুঁজে পাবেন - ( http://www.ummaland.com/profile-20584 )

বন্ধুগণ, সবাই ভালো থাকুন। আল্লাহ্‌ বাঁচিয়ে রাখলে ইনশাআল্লাহ আবার দেখা হবে। আল্লাহ্‌ আমাদের সবাইকে সৎ ও সঠিক পথের দিক নির্দেশনা দান করুন। আমিন। 

Thursday, May 23, 2013

ইসলামের প্রকৃত সৌন্দর্য

                                         بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

                    শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

২২ মে, ২০১৩
মাগরিবের সময়। নামাজে এক কাতারে সবাই দাঁড়িয়েছি। হঠাৎ চোখ পড়ল পাশেরজনের দিকে। জানতাম উনি এসেছেন কিন্তু খেয়াল করিনি কখন উনি পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন!! তাকবীর তখনো দেওয়া হয় নি। কিছুটা সংকোচ বোধ করে পিছে সরে যাচ্ছিলাম। পাশের বন্ধুটি ঠেলে আগের জায়গায় দাঁড় করিয়ে দিল আমাকে। ঠিক তখনি আশ্চর্য এক অনুভূতি এল আমার মাঝে। আরে!! এখানেই তো ইসলামের সার্থকতা। আমি কেন পিছে যাচ্ছিলাম?! ইসলাম ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবাইকে এক কাতারে আনার সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে, যা আমি আর কোথায় দেখতে পাই না। নামাজের সময় সবাই এক, সামনে শুধু একজন- তাদের দয়াময় প্রতিপালক।
                                         

আমার পাশেরজনটি ছিলেন আমাদের MISTর সম্মানিত কমান্ডেন্ট। তিনি আজ হলে আমাদের সাথে মাগরিবের নামাজ পড়তে এসেছিলেন। সেই সময়টা যখন আমি আবার দাঁড়ালাম, তখন মনে হয়েছিল- আরে! আমি কেন পিছাচ্ছি?! আমার সামনে তো এই সারা দুনিয়ার কমান্ডেন্ট। তার উদ্দেশ্যেই তো এই দাঁড়ানো। পাশেরজন তো কেউই না-সেও আমার মতই একজন মানুষ। আসলেই। এখানেই বিদ্যমান ইসলামের প্রকৃত সৌন্দর্য। আলহামদুলিল্লাহ ..... :)

ফেসবুক লিংক

দুনিয়ার সৌন্দর্য পিপাসু বন্ধু এবং ফেসবুকে মানুষের কাণ্ডজ্ঞানহীনতা


                                             بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

                           শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

আসি আসি বলে বন্ধু ফাঁকি দিয়েছে :( আসরের ওয়াক্তে ধরলাম। বলল, দোস্ত আসতেছি-তুই যা। মাগরিবে- কই যাস?! মাগরিবের টাইম এখন মানুষ বাইরে যায়?! বলল- দোস্ত প্রমিজ। এশা পড়ব একসাথে, আর্জেন্ট কাজ আছে বাইরে, যাই রে!! এশাও হল না :(  খাবার সময় ধরলাম- বন্ধু কালকে থেকে পড়ব, ডাক দিস যাওয়ার সময়।

“দুনিয়ার চরিত্র হচ্ছে, যারা এটার পিছনে ছোটে এটা তাদের কাছ থেকে পালিয়ে বেড়ায়, আর যারা এটা থেকে পালিয়ে বেড়ায় তাদের পিছনে এটা ছোটে।” [তাফসির ইবনে কাসীর, ৪/৯৭]
কালকে যে কি হবে আল্লাহ্‌ই জানেন?!  




আরেকটা কথা। ফেসবুক প্রোফাইল। ছবি, কভার পেইজ দেখে ইউজার বিচার করা যায় না। আর কুর'আনের আয়াত ফেসবুকের ওয়ালে দেখলেই ভাববেন না যে সে জামাত/শিবির/হেফাজতের সাথে জড়িত!! প্লিজ পুরো ইসলামকে এদের দ্বারা, এদের কাজকর্ম দ্বারা বিচার করবেন না। ইসলাম ও তারা এক জিনিস নয়। আই রিপিট ইসলাম ও তারা এক জিনিস নয়। আজকে কিছু কথা শুনতে হল এই ব্যাপারে তাই তার আলোকে লিখলাম। সবাইকে এ ব্যাপারে জ্ঞান অন্বেষণের অনুরোধ করছি। না জেনে কিছু বলে ফেলা কিন্তু খুব মারাত্মক সেই সাথে ধ্বংসাত্মক একটা ব্যাপার।

“হৃদয় থাকা সকল মানুষের বোধ থাকে না, কান থাকা সকল মানুষই শুনতে পায় না, চোখ থাকা সকল মানুষই দেখতে পায় না।”- হযরত আলী (রা) (স্মর্তব্য)

ফেসবুক লিংক
 

আল্লাহ আমাদের সঠিক পথে চলার, কুরআন বুঝার এবং সেই অনুযায়ী জীবনে চলার তৌফিক দান করুন। আমিন। 

Friday, March 1, 2013

আমি নিজেকে মুসলিম বলি ………


                                             بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَٰنِ الرَّحِيمِ

                                     শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু। 



আমি নিজেকে মুসলিম বলি। 

আমি মিউজিক শুনি, আমি নিজেকে মুসলিম বলি।

আমি হারাম উৎসবগুলোতে অংশগ্রহণ করি, নাচানাচি করি গানের তালে তালে। আমি নিজেকে মুসলিম বলি।
কিভাবে সঠিকভাবে নামাজ পড়তে হয় সেটাই জানি না, আমি নিজেকে মুসলিম বলি।
আমি দাঁড়ি কামিয়ে ফেলি আর হিজাব বর্জন করি (পড়ুন মহিলাদের ক্ষেত্রে)। আমি নিজেকে মুসলিম বলি।
আমি কাণ্ডজ্ঞানহীনভাবে উল্টাপাল্টা ড্রেস পরিধান করে ঘুরে বেড়াই। হাঁটুরও উপরে প্যান্ট পরি। কখনো কখনো কোমর থেকে অনেক নিচে আর সেই সাথে পাতলা (মসলিনের মত) ড্রেস-আপ। এই আমি নিজেকে মুসলিম বলি।
আমার আয়ের উৎস অসৎ, হারাম পথে চলি। আমি নিজেকে মুসলিম বলি।
আমি বন্ধুদের সাথে মাস্তি করি আর আড়ালে মানুষের নিন্দা করে বেড়াই। আমি নিজেকে মুসলিম বলি।
সারাটা রাত আমি মুভি দেখে কাটিয়ে দিই যেখানে সেইসময় আমি কুরআন পড়তে পারতামআমি নিজেকে মুসলিম বলি
সিজিপিএ বাড়ানোর জন্য কতইনা দৌড়াদৌড়ি করি। এক ওয়াক্ত নামাজ পড়ার জন্য আমার সময় হয় না। পরীক্ষার আগে জুম্মার নামাজে ক্ষণিকের জন্য মসজিদে উপস্থিত হই। রেজাল্টের পর আনন্দে উদ্বেলিত হয়ে যার জন্য এত কিছু তাঁর রহমতের কথা ভুলে যাই। আর আমি নিজেকে মুসলিম বলি।
আল্লাহ আমাদের জন্য কি বানী পাঠিয়েছেন তা আমরা পড়িও না বুঝার চেষ্টাও করি না। তার বদলে বন্ধু-বান্ধবীদের সাথে এসএমএস চালাচালি করি। আর আমরা নিজেদেরকে মুসলিম বলি।

কি মিল পেয়েছেন কিছু???

হ্যাঁ, আমরা হচ্ছি এই ধরনের মুসলিম।


                                            


একটু চিন্তা করুন। এধরনের জীবনযাপন কি ছিল আমাদের নবীজী মুহাম্মাদ (সাঃ) এর ??

আমরা তো নবীজির জীবন চরিতই পড়ি নাই, জানবো কিভাবে? আমাদের জ্ঞান সেই নবম-দশম শ্রেণীর ইসলাম ধর্ম বইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। 
এটাই কি সেই বিশ্বাসীদের জীবন যেটা কুরআনে বলা হয়েছে ??
আমরা কুরআন জানব কিভাবে?? আমরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দিই রাস্তাঘাটে অহেতুক কর্মকাণ্ডে, উদ্যানে, ফোনালাপে অথবা ঘরে বসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মুভি দেখে।
এগুলো দিয়ে সত্যি একজন মুসলিমকে চেনা যায়???

ভাইরা-বোনেরা, আখিরাতের কথা চিন্তা করুন। আর ধাবিত হউন তাঁর কাছে যিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন।
দুনিয়ার এইসব নকল আনন্দ উপভোগ করে লাভ নাই। সবই মায়া-মোহ।     
মনে রাখবেন আমরা শেষনবী হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম এর উম্মাহ।
জীবনযাপন করুন ঠিক যেমনভাবে মহানবী (সাঃ) করেছিলেন। নামাজ আদায় করুন। অন্যদের পড়তে উৎসাহিত করুন। কুরআন পড়ুন, বুঝুন এবং সেই অনুযায়ী আমল করুন। হাদিস পড়ুন, বুঝুন এবং জীবনে সেইগুলোর প্রতিফলন ঘটান।
যাকাত প্রদান করুন। শিরক, বিদআত থেকে নিজেদের রক্ষা করুন।
দৃষ্টান্ত স্থাপন করুন। সবার মাঝে প্রিয় হয়ে উঠুন। সৎপথে নিজেকে পরিচালিত করুন। অনুসরণীয় হউন।
আর সর্বদা মনে রাখুন-

كُلُّ نَفْسٍ ذَائِقَةُ الْمَوْتِ ۗ وَإِنَّمَا تُوَفَّوْنَ أُجُورَكُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ۖ فَمَن زُحْزِحَ عَنِ النَّارِ وَأُدْخِلَ الْجَنَّةَ فَقَدْ فَازَ ۗ وَمَا الْحَيَاةُ الدُّنْيَا إِلَّا مَتَاعُ الْغُرُورِ [٣:١٨٥]



প্রত্যেক প্রাণীকে আস্বাদন করতে হবে মৃত্যু। আর তোমরা কিয়ামতের দিন পরিপূর্ণ বদলা প্রাপ্ত হবে। তারপর যাকে দোযখ থেকে দূরে রাখা হবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, তার কার্যসিদ্ধি ঘটবে। আর পার্থিব জীবন ধোঁকা ছাড়া অন্য কোন সম্পদ নয়। (সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১৮৫)

নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বজ্ঞানী।

আল্লাহ আমাদের সঠিক পথে চলার, কুরআন বুঝার এবং সেই অনুযায়ী জীবনে চলার তৌফিক দান করুন। আমিন। 

(লেখায় ভাষাগত কোন ভুলত্রুটি পেলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন)